নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মারুফুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মেয়েদের সুরক্ষার ব্যাপারে সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ। আইন অনুযায়ী যে কারও অনুমতি ছাড়া ছবি তোলা নিষেধ। তাই আইনকে সমুন্নত রাখতে ওই তরুণকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এসময় তার মোবাইল ফোনটিও ভেঙ্গে ফেলা হয়।’
চিতলমারী থানার পরিদর্শক মো. ইকরাম হোসেন বলেন, ‘চিতলমারী সরকারি বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজের দুই ছাত্রী কলেজের সামনে থেকে ওই ইজিবাইকে ওঠেন। পথে ইজিবাইক চালক তাদের ছবি তোলেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে দুই ছাত্রী থানায় অভিযোগ করে। তাৎক্ষণিকভাবে রমজান আলীকে আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়।’
চিতলমারী সরকারি বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ বাবুল মিয়া জানান, তাৎক্ষণিকভাবে এই সাজার ফলে ইভটিজাররা ভয় পাবে। এটা অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ।
রমজান আলী ইজিবাইক চালক ও কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী গ্রামের বজলু কাজীর ছেলে।