চুয়াডাঙ্গার চারটি পৌরসভা হলো চুয়াডাঙ্গা, আলমডাঙ্গা, দর্শনা ও জীবননগর। পৌরসভাগুলো ঘুরে দেখা গেছে, নাগরিক সনদ, খাজনা, লাইসেন্স, টিকাদান কর্মসূচি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনসহ সব ধরনের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, দিনের পর দিন আন্দোলনের ফলে পৌরসভার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে পৌরবাসী চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা না থাকায় কোনও কাজই ঠিক মতো হচ্ছে না। পৌর এলাকায় আবর্জনার স্তুপ সৃষ্টি হয়েছে। জমে থাকা ময়লা পচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করছে। পৌরবাসী নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন সনদ না পেয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে।
বৃহস্পতিবার দর্শনা পৌরসভায় গিয়ে দেখা গেছে, পৌরসভায় ভুক্তভোগী নাগরিকেরা যাচ্ছেন। কিন্তু সেখানে কোনও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে না পেয়ে কাজ করতে পারছেন না। মাঝে মধ্যে মেয়র-কাউন্সিলদের দেখা মিললেও তাতে কোনও কাজ হচ্ছে না।
জীবননগর পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘এই পৌরসভায় ৯টি ওয়ার্ড রয়েছে। পৌরসভার সব কর্মকর্তা-কর্মচারী আন্দোলনে রয়েছেন। তাদের আন্দোলন কতদিন ধরে চলবে তা অনির্দিষ্ট। আমার কাছে যারা আসছেন তাদের সাধ্য মতো নাগরিক সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করছি।’
পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী জিপু বলেন, ‘সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতার দাবি মেনে নেওয়া হোক। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা পাওয়ার দাবি যৌক্তিক।’