রবিবার (৪ আগস্ট) কুষ্টিয়া সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে কুষ্টিয়া জেলার খাদ্য বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ না করলে দেশ পিছিয়ে যাবে। তাই কৃষকদের উৎপাদিত ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সারাদেশে ধান সংরক্ষণের জন্য দুই শতাধিক আধুনিক সাইলো নির্মাণ করা হবে। যাতে ধান উৎপাদনের সঙ্গে-সঙ্গে কৃষকরা বিক্রি করতে পারেন। দেশের চাহিদা মিটিয়ে প্রয়োজনে বাইরে চাল রফতানি করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে উৎকৃষ্টমানের চাল উৎপাদন করতে হবে, যাতে বাজার নষ্ট না হয়। চাল রফতানির বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে।’
ইতোমধ্যে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি দাবি করে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, ‘এখন প্রয়োজন নিরাপদ, ভেজালমুক্ত ও পুষ্টিমানসম্পন্ন খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা। যেকোনও মূল্যে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আসলাম হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) এসএম তানভির আরাফাত, জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা, কেন্দ্রীয় চালকল মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রশিদ ও জেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি ওমর ফারুক প্রমুখ।