অনুসন্ধানে জানা যায়, শার্শা উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১১শ’ খামারের গরু বিভিন্ন পশুর হাটে নিচ্ছেন বিক্রেতারা। ভালো দামও পাচ্ছেন তারা। তবে গো-খাদ্যের দাম না কমালে লোকসানের আশঙ্কাও করছেন ব্যবসায়ীরা।
শার্শা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জয়দেব কুমার সিংহ বলেন, ‘ভারতীয় গরু-ছাগল না এলেও কোরবানির পশুর হাটে এর কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। যশোরে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৩টি পশুর হাট রয়েছে। এর বাইরে ঈদকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আরও ১১টি অস্থায়ী হাট গড়ে উঠেছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় পশুর হাট হচ্ছে বাগআঁচড়া সাতমাইল পশু হাট। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তদারকির জন্য আমরা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর থেকে সবসময় মনিটরিং করছি।’
বাগআঁচড়ার সাতমাইল পশু হাটের সাধারণ সম্পাদক ও বাগআঁচড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কবির বকুল জানান, এ পশুর হাট সার্বক্ষণিক প্রশাসনের তদারকিতে আছে।
তিনি আরও বলেন, ভারতীয় গরু না আসায় এ বছর দেশীয় খামারিরা অনেকটা লাভের মুখ দেখবেন। তবে ক্রেতাদের একটু চড়া দামে এবার পশু কিনতে হচ্ছে।