খুলনায় সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের নামাজ শেষে পশু কোরবানি শুরু হয়। প্রতিটি পাড়া মহল্লার নির্ধারিত স্থানে ধর্মীয় উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পশু জবাই করা হয়।
গত বছর ঈদুল আজহায় নগরীতে ১৭৩টি স্থানে ৯৫০০ পশু কোরবানির দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয় ৪৫ ভাগ। ফলে এবার সুফল পেতে কিছু স্থান কমানো হয়েছে।
কেসিসির সিনিয়র ভেটেরিনারি সার্জন ডা. রেজাউল করিম বলেন, কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ ও নগরীর পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখতে ১৩৬টি স্থানে এবার কার্যক্রম চলছে। প্রতিটি ওয়ার্ডের নির্ধারিত স্থানগুলোতে পানি সরবরাহ, জবাইয়ের সুব্যবস্থা, রোদ-বৃষ্টি থেকে বাঁচতে সামিয়ানার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কেসিসির পূর্ত বিভাগ কাজটি বাস্তবায়ন করছে।
তিনি বলেন, পর্যাপ্ত জায়গা থাকলে নিজ নিজ বাড়িতে কোরবানি করা যাবে। সে ক্ষেত্রে যাবতীয় ময়লা নিজ উদ্যোগে মাটিতে পুঁতে রাখতে হবে। কোনোভাবে ড্রেনে বর্জ্য ফেলা যাবে না। কোনও ব্যক্তি সড়কে কোরবানি করলে এবং ময়লা ড্রেনে গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।