খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের হার কমতে শুরু করছে। এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৮ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
খুলনা বিভাগে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ১১ জন। এর মধ্যে ৩৯৬ জন এখনো বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আর ৭ হাজার ২০৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। অবশিষ্ট ৪০৬ জনকে বিভিন্ন স্থানে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
খুলনা স্বাস্থ্য অধিদফতরের (রোগ নিয়ন্ত্রণ) সহকারী পরিচালক ডাক্তার ফেরদৌসী আক্তার বলেন,‘গত পহেলা জুলাই থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর বেলা এগারোটা পর্যন্ত খুলনা বিভাগের ১০ জেলার মধ্যে যশোরে ২ হাজার ৭৭৪ জন, খুলনায় ২২৫ জন, বাগেরহাটে ২৮০ জন, সাতক্ষীরায় ৭৬১ জন, ঝিনাইদহে ৪৯৩ জন, মাগুরায় ৪০৯ জন, নড়াইলে ৪৩৬ জন, কুষ্টিয়ায় ১ হাজার ২৭০ জন, চুয়াডাঙ্গায় ১২৫ জন, মেহেরপুরে ২১২ জন ও খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১ হাজার ১২৬ জন ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে যশোরে ১৫৭ জন, খুলনায় ৪ জন, বাগেরহাটে ১৩ জন, সাতক্ষীরায় ৩৬ জন, ঝিনাইদহে ২৬ জন, মাগুরায় ২০ জন, নড়াইলে ১০ জন, কুষ্টিয়ায় ৪৯ জন, চুয়াডাঙ্গায় একজন, মেহেরপুরে ৮ জন ও খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৭২ জন এখনো ভর্তি রয়েছেন।
তিনি জানান, এ বিভাগে এখন পর্যন্ত ২৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে খুলনায় ১৬ জন, যশোরে ৫ জন, মাগুরায় একজন, মেহেরপুরে একজন, সাতক্ষীরায় ২ জন, ঝিনাইদহে একজন রয়েছেন।
তিনি আরও জানান, খুলনা বিভাগে ২৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টা থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টা পর্যন্ত নতুন করে ৮৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে যশোরে ৩৩ জন, খুলনায় ০ জন, বাগেরহাটে ১ জন, সাতক্ষীরায় ৮ জন, ঝিনাইদহে ৬ জন, মাগুরায় ৬ জন, নড়াইলে ৬ জন, কুষ্টিয়ায় ১১ জন, চুয়াডাঙ্গায় ০ জন, মেহেরপুরে ২ জন ও খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৪ জন ভর্তি আছেন।
এছাড়া এ বিভাগে ডেঙ্গু সনাক্তের জন্য ১৫ হাজার ৯০০টি কিটস মজুদ রয়েছে। এর মধ্যে যশোরে ২ হাজার ৯৫৯টি, খুলনায় ৩ হাজার ৫১১টি, বাগেরহাটে ৪৯৩টি, সাতক্ষীরায় ৪২৮টি, ঝিনাইদহে ২ হাজার ৯৫৯টি, মাগুরায় ১৬৫টি, নড়াইলে ১ হাজার ১৬৫টি, কুষ্টিয়ায় ৩৪২টি, চুয়াডাঙ্গায় ১ হাজার ৯১৬টি ও মেহেরপুরে ১ হাজার ৯৪৮টি রয়েছে।