জনি সদর উপজেলার পশ্চিম আব্দালপুর গ্রামের বকুলের ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৬ মে সন্ধ্যায় জনি স্ত্রী জোনাকী খাতুনকে (১৯) বাবার বাড়ি থেকে ৫০ হাজার টাকা যৌতুক এনে দিতে বলে। এতে রাজি না হওয়ায় জোনাকীকে নির্যাতনের একপর্যায়ে জ্ঞান হারালে জনি স্ত্রীর গলায় ফাঁস দিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে। এ ঘটনায় জোনাকীর মা আসমা খাতুন বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।
কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের পিপি মেহেদী হাসান জানান, আসামি জনির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশসহ এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলাম করে প্রাপ্ত টাকা ভিকটিমের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।