মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মাহমুদুল হাসান এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, রাশ উৎসবে যেতে অনুমোদিত আটটি নৌপথের মধ্যে ঢাংমারী অথবা চাঁদপাই স্টেশন-তিনকোন আইল্যান্ড হয়ে দুবলার চরে যাওয়া যাবে। এছাড়া বগী-বলেশ্বর-সুপতি স্টেশন-কচিখালী-শেলারচর হয়ে দুবলার চর এবং শরণখোলা স্টেশন-সুপতি স্টেশন-কচিখালী-শেলারচর হয়ে দুবলার চর যাওয়া যাবে। বুড়িগোয়ালিনী, কোবাদক থেকে বাটুলা নদী-বল নদী-পাটকোস্টা খাল হয়ে হংসরাজ নদী হয়ে দুবলার চর; কদমতলা থেকে ইছামতি নদী, দোবেকী হয়ে আড়পাঙ্গাসিয়া-কাগা দোবেকী হয়ে দুবলার চরে যাওয়ারও সুযোগ রয়েছে।
এছাড়া কৈখালী স্টেশন হয়ে মাদার গাং, খোপড়াখালী ভারানী, দোবেকী হয়ে আড়পাঙ্গাসিয়া-কাগাদোবেকী হয়ে; কয়রা, কাশিয়াবাদ, খাসিটানা, বজবজা হয়ে আড়ুয়া শিবসা-শিবসা নদী-মরজাত দিয়ে ও নলিয়ান স্টেশন হয়ে শিবসা-মরজাত নদী হয়ে পুণ্যার্থীরা দুবলার চরে যেতে পারবেন।
মাহমুদুল হাসান আরও জানান, পুণ্যার্থী ও দর্শনার্থীরা নির্ধারিত রুটের পছন্দ মতো একটিমাত্র পথ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। দিনের আলোতে চলাচল করতে হবে এবং সুন্দরবন বিভাগের চেকিং পয়েন্ট ছাড়া অন্য কোথাও পুণ্যার্থী ও দর্শনার্থীদের নৌকা, লঞ্চ বা ট্রলার নোঙর করা যাবে না। প্রতিটি নৌকা, লঞ্চ বা ট্রলারে গায়ে রঙ দিয়ে বিএলসি অথবা সিরিয়াল নম্বর লিখতে হবে। সুন্দরবনে প্রবেশের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা ইউপি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে প্রাপ্ত সনদ সঙ্গে রাখার কথা বলেন তিনি।
পরিবেশ দূষণ করে এমন সব বস্তু, শব্দযন্ত্র বাজানো, পটকা ও বাজি ফোটানো, বিস্ফোরক দ্রব্য, দেশীয় যেকোনো অস্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র বহন থেকে যাত্রীদের বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।