যশোর উপশহরের ক্রীড়া উদ্যানে জোড় ইজতেমার সব আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। ইজতেমা আয়োজন কমিটির প্রধান মাওলানা নাসীরুল্লাহ বলেন, ইজতেমার জন্যে প্রায় ৭ লাখ বর্গফুট জায়গা প্রস্তুত করা হচ্ছে। গোটা মাঠ ত্রিপল ও চট দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে। খুলনা বিভাগের ১০ জেলা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরিয়তপুর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর ও পাবনা থেকে মুরুব্বিরা ইজতেমায় আসবেন। ৫ ডিসেম্বর ফজরের পর আমবয়ানের মাধ্যমে ইজতেমার কার্যক্রম শুরু হবে। আশা করা যায় প্রায় দু’লাখ মানুষের সমাগম ঘটবে ইজতেমায়। তবলিগের পুরনো সাথী যারা ইতোমধ্যে তিন চিল্লা সম্পন্ন করেছেন তারাও আসবেন।
উপশহর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিটু বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে প্রায় এক হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করেছি। উপশহর বাজারের প্রত্যেক দোকানিকে বলে দেওয়া হয়েছে ইজতেমার এই তিনদিন যেন তারা কোনও দ্রব্যের দাম বেশি না রাখেন।’
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘যশোরে ইজতেমা হচ্ছে বেশ কয়েকটা ভেন্যুতে। আমরা প্রত্যেক ভেন্যুর ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। সাতক্ষীরা ও ঝিনাইদহ থেকে ফোর্স আনা হচ্ছে। এছাড়া ইজতেমাস্থলের পাশে স্কুলে পুলিশের একটি কন্ট্রোল রুম থাকবে।’