কালীগঞ্জ থানার ওসি মাহফুজুর রহমান জানান, ১৮ জনের নামসহ অজ্ঞাত ৩৫-৪০ জনকে আসামি করা হয়। এদেরমধ্যে মুশফিকুর রহমান ডাবলু, মুশতাক আহম্মেদ লাভলু ও নাছিরসহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রসঙ্গত, বুধবার (৮ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে আড়পাড়া গ্রামে অভিযানে যান পিবিআই সদস্যরা। কালীগঞ্জের মাদ্রাসাছাত্র আল-আমিন হত্যা মামলার আসামি তারিক হাসান সাব্বিরের স্বীকারোক্তিতে হত্যাকাজে ব্যবহৃত চাকু ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে সেখানে যান তারা। তখন রান্না ঘর থেকে একটি চাকু উদ্ধার ও যে মোবাইলফোন দিয়ে ম্যাসেজ দেওয়া হয়েছিল, সেই মোবাইলফোনটি উদ্ধার করা হয়। আলামত উদ্ধার করে নিয়ে আসার সময় পিবিআই সদস্যদের ওপর আসামি সাব্বিরের বাবা মুশফিকুর রহমান ডাবলু ও চাচা মুশতাক আহম্মেদ লাভলুর নেতৃত্বে ১২-১৩ জন হামলা করে বলে পিবিআইয়ের দাবি। হামলায় আহত হন মামলার তদন্তকারী পিবিআইয়ের এসআই সোহেল হোসেন, এসআই হুমায়ন, এএসআই হাফিজুর রহমান, এএসআই মো. জাফর ও এএসআই আব্দুল খালেক। এদেরমধ্যে এএসআই হাফিজুর রহমানকে আসামি পক্ষের লোকজন একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করে। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।