শুক্রবার থেকে আন্তনগর ৩৫ ট্রেন চলবে নতুন সূচিতে

ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন ১০ জানুয়ারি (শুক্রবার) থেকে সারাদেশে ৩৫টি আন্তনগর ট্রেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন আসছে। পাশাপাশি বাড়ছে ৯টি ট্রেনের যাত্রাবিরতি। নতুন ট্রেন চালু হওয়ায় রেলের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের ৩৫টি ট্রেনের সময়সূচিতে এই সমন্বয়। এতে রেলের কার্যক্রমে আরও গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) বিকালে ট্রেনের নতুন সময়সূচির তথ্য নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল স্টেশন ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার থেকে ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’ ট্রেন ঢাকা থেকে রাত সোয়া ১১টার দিকে ছাড়বে। বেনাপোল পৌঁছাবে সকাল ৮টা ২০ মিনিটে। যা আগে রাত ১২টা ৪০ মিনিটে ঢাকা ছেড়ে বেনাপোল পৌঁছাতো দুপুর ১২টায়। একই ট্রেন আবার দুপুর ১টায় বেনাপোল থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হতো। সাপ্তাহিক বন্ধ বুধবারই থাকছে।

সময়সূচি পরিবর্তনে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন এখন থেকে দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে বেনাপোল থেকে ছাড়বে। ঢাকায় পৌঁছাবে রাত ৮টা ৪০ মিনিটে, যা আগে দুপুর ১টার সময় ছেড়ে যেত।

বেনাপোল এক্সপ্রেস নতুন করে মোবারকগঞ্জ, পোড়াদহ ও ভেড়ামারা স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে।

এছাড়াও ঢাকা থেকে খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস সকাল ৬টা ২০ মিনিটের পরিবর্তে সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে এবং খুলনা থেকে রাত সাড়ে ৮টার পরিবর্তে ছাড়বে রাত সোয়া ১০টায়। বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে রাত ১১টা ১৫ মিনিটে ছাড়বে, যা আগে রাত ১২টার পর ছেড়ে যেত।

এছাড়া পঞ্চগড় এক্সপ্রেস রাত ১২টা ১০ মিনিটের পরিবর্তে রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে যাবে। নতুন সময়সূচিতে দিনাজপুরের দ্রুতযান ও খুলনার চিত্রা এক্সপ্রেসের গাজীপুরের জয়দেবপুরে যাত্রাবিরতি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া বাড়ানো হয়েছে একতা, দ্রুতযান এবং পঞ্চগড় এক্সপ্রেসহ ৯টি ট্রেনের যাত্রাবিরতি।
এদিকে সময়সূচি পরিবর্তন করায় সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। তারা বলছেন, এ পথে বেশিরভাগ যাত্রী ভারতগামী। আগের সময়সূচিতে ঢাকা থেকে বেনাপোল আসতে দুপুর ২টা থেকে ৩টা বেজে যেত। তাতে ওই দিন যাত্রীরা কলকাতা পৌঁছে কোনও কাজ করতে পারতেন না। বর্তমানে নতুন সময়ে ওই সমস্যা থেকে যাত্রীরা অনেকটা মুক্তি পাবে।

তবে বেনাপোল এক্সপ্রেসে বেনাপোলের জন্য আসন সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা। তারা বলছেন, বেনাপোলের যাত্রীদের জন্য মাত্র ২২২টি আসন বরাদ্দ আছে, যা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। বেনাপোল দেশের সর্ববৃহত্তম স্থলবন্দর হওয়ায় এ পথে ব্যবসা, বাণিজ্য, চিকিৎসা ও ভ্রমণে মানুষ বেশি যাতায়াত করেন। তাই এখানে আসন সংখ্যা বাড়ানো দরকার।