যাত্রীরা বলছেন, যেভাবে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে তাতে ইমিগ্রেশনে স্বাস্থ্যকর্মীদের আরও সতর্ক হওয়া দরকার। সে হিসেবে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সার্বক্ষণিক দায়িত্বে থাকা অতি জরুরি।কারণ বিদেশিদের মাধ্যমে এ ভাইরাস বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার আব্দুল মজিদ বলেন, থার্মো স্ক্যানার মেশিনটি দীর্ঘদিন অচল। মেশিনটি সচল থাকলে ভাইরাস শনাক্ত করা সহজ হতো। যন্ত্রটি ঠিক করতে অনেক আগেই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী আবুল হাসনাত বলেন, সংক্রমণ ঠেকাতে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে সতর্কতা জারি করলেও নষ্ট যন্ত্রপাতির কারণে ঠিকমতো স্বাস্থ্য পরীক্ষা হচ্ছে না। স্বাস্থ্যকর্মীরাও ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করেন না।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি খোরশেদ আলম জানান, চীনসহ বাইরের দেশ থেকে আসা যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্য অফিসারে ডেস্কে পাঠানো হচ্ছে। এ ব্যাপারে তারা সজাগ দৃষ্টি রাখছেন।