বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার আব্দুল মজিদ জানান, এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৩৭ হাজার জনের পরীক্ষা করা হয়েছে। কারও শরীরে ভাইরাস পাওয়া যায়নি। দেশি-বিদেশি সবাইকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। যেহেতু সব যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে, তাই জনবল কিছুটা বাড়ানো হলে সুবিধা হতো।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভারত থেকে যারা আসছেন, ভাইরাসমুক্ত রাখতে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, ভ্রমণ, চিকিৎসা ও বাণিজ্যিক কাজে বেনাপোল ইমিগ্রেশন হয়ে প্রতিদিন ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় ৬ থেকে ৮ হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। এসব যাত্রীদের মধ্যে ১০ শতাংশ রয়েছে বিদেশি যাত্রী। তাই এ সীমান্তে ভাইরাসটি সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি।