স্বাস্থ্য অধিদফতরের পোর্ট হেলথ অফিসার ডা. সুফিয়া খাতুন বাংলা ট্রিবিউনকে রবিবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬ টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, 'ওই ছয় নাবিকের শরীরে স্বাভাবিকের তুলনায় তাপমাত্রা বেশি পাওয়ায় তাদের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তাদের (চিকিৎসক) টিমের পুরোপুরি রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত ওই জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের অনুমতি দেওয়া যাচ্ছে না।‘’
মোংলা বন্দরের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফকর উদ্দিন এবং ওই জাহাজের স্থানীয় শিপিং এজেন্ট মেসার্স সুলতান শিপিং এর ব্যবস্থাপক মাহমুদুল হক রাজু জানান, ২৪ হাজার মে. টন কয়লা নিয়ে ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা ‘মেসার্স চ্যাং হ্যাং জিং হাই’ জাহাজটি রবিবার (২৭ এপ্রিল) বেলা সোয়া ৩টায় মোংলা বন্দরে আসে। বন্দরের হারবারের ৭ নম্বর মুরিং বয়ায় এটি অবস্থান নেয়। এরপরই স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসকের পরীক্ষায় তাদের শরীরে তাপমাত্রা বেশি পাওয়ায় করোনা সন্দেহে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।
এই অবস্থায় জাহাজটিতে পণ্য খালাস না করতে শ্রমিং গ্যাং বুকিং দিতে নিষেধ করা হয় বলে জানান মেসার্স সুলতান শিপিং এর ব্যবস্থাপক মাহমুদুল হক রাজু। তিনি বলেন, 'স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসকের রিপোর্ট পাওয়ার পরই জাহাজে পণ্য খালাসের সিদ্ধান্ত হবে।'
গত ১ এপ্রিল ‘মেসার্স চ্যাং হ্যাং জিং হাই’ জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে এসে ৩০ হাজার মে. টন কয়লা খালাস করে বলে জানা গেছে।