মহানগরীর ময়লাপোতা মোড়ের খাবার হোটেল মালিক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এক মাস হলো হোটেল বন্ধ রয়েছে। এখন তো আর চলা যাচ্ছে না। সংসার চালাতে হলে বিকল্প আয় দরকার। আর বয়স হয়েছে, বাইরে ঘুরেও কিছু করতে পারবো না। তাই হোটেলের সামনেই কাঁচামাল নিয়ে বসে পড়েছি। এখানের সান্ধ্য বাজার দিনের বেলায় বন্ধ থাকায় আশপাশের লোকজন আমার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনছেন।’ প্রথম রোজা থেকে তিনি এ কাজ করছেন।
মহানগরীর গোবরচাকা প্রধান সড়কের চাইনিজ রেস্টুরেন্টের মালিক আফজাল হোসেন এক ভ্যানে করে মাছ বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, ‘বন্ধ কত দিন থাকবে তা তো বোঝা যাচ্ছে না। দোকান খুলতে না পারলে সংসার চালানো কঠিন হচ্ছে। ব্যবসার টাকা রক্ষা করাও কঠিন হবে। তাই বিকল্প হিসেবে ভ্যানে করে মাছ নিয়ে নেমে পড়েছি। এখন মাছ আর কাঁচামাল ছাড়া আয়ের অন্য কোনও বিকল্প পথ নেই। লাজ লজ্জা করে জীবন চলবে না।’
খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, নিম্ন মধ্যবিত্তরা জেলা প্রশাসনের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করলেই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী তাদের ঠিকানায় খাবার পৌঁছে দিচ্ছে।