সালাম হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘অনেকদিন পর দোকান খুললো। ভয় লাগলেও প্রথম দিনেই পরিবারের সবাইকে নিয়ে মার্কেটে এসেছি। যাতে কিছুটা নিরাপদ থাকা যায়। তবে গ্লাভস না পরে এসে ভুল করেছি। চিন্তা করছি আজই সব কেনাকাটা শেষ করে ফিরবো, যাতে আর মার্কেটে না আসতে হয়।’
রাজ্জাক আলী নামে এক দোকানি বলেন, ‘মার্কেটের গেটে জীবাণুনাশকের ব্যবস্থা করা হয়েছে তাই গ্লাভস না পরেই কাজ করছি। তবে গ্লাভস পরা জরুরি ছিল। ভুল হয়েছে।’
যশোর সিটি প্লাজা মার্কেটের মালিক ইয়াকুব আলী বলেন, ‘মার্কেটের দোকান মালিকদের নিয়ে ৯ মে সভা করেছি। সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খোলার আশ্বাস দিয়েছেন এবং সেই মতো কাজ করেছেন। সকালে দোকানে দোকানে গিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মার্কেটের একটি প্রবেশদ্বার করা হয়েছে। যেখানে একাধিক কর্মী দিয়ে ক্রেতাদের হাতে ও পায়ে জীবাণুনাশক দেওয়া হচ্ছে। মাস্ক ছাড়া কোনও ক্রেতাকে মার্কেটে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারের সব নির্দেশনা মেনে মার্কেট চালু রাখতে চাই। যদি দোকানদাররা তার ব্যত্যয় ঘটান তাহলে মার্কেট বন্ধ ঘোষণা করা হবে।’
এদিকে, দোকানপাট খুলে দেওয়া প্রসঙ্গে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) যশোর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ভিটু বলেন, ‘ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী। এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জন্য আমরা (৯ মে) মানববন্ধন করেছি। আজ শহরে বের হয়ে দেখলাম মানুষের ঢল। একজন আরেকজনের ঘাড়ের ওপর উঠে যাচ্ছে। সরকার জনগণকে বিপদে ফেলে দিচ্ছে। আর জনগণ সচেতন নয়; তারা আত্মহুতি দিতে প্রস্তুত। এর ফল জনগণ ও সরকারকেই নিতে হবে।’