এই দিকে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ মোকাবিলায় বাগেরহাটের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা উপজেলায় খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। প্রস্তুত রয়েছে মেডিক্যাল টিম ও রেডক্রিসেন্ট-সিপিপিসহ স্বেচ্ছাসেবীরা।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষও প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। বর্তমানে মোংলা বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থানরত জাহাজে পণ্য ওঠা-নামার কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দরের হারবার বিভাগ।
করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসার খবরে গত দুই দিন ধরে বাগেরহাটের জেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির ও উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি জরুরি সভা করেছে। ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানলে ক্ষয়ক্ষতি যাতে কম হয় সেই জন্য আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ জানান, এবার করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে যাওয়ায় জেলার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আগের মতো লোক গাদাগাদি করে রাখা যাবে না। সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই সেখানে রাখতে হবে। সেই জন্য ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রেগুলোর পাশাপাশি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাকা ভবনগুলো এবার আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে। জেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা করে এই ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে জেলার সব উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সকল স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।