তবে বিক্রেতারা বলছেন, অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে অনেক ক্ষেত পানিতে ডুবে নষ্ট হওয়ায় বাজারে সবজির সংকট রয়েছে। বাগেরহাট কাঁচা বাজারের সবজি বিক্রেতা মহসিন শেখ জানান, সবজির বাড়তি দাম পাইকারি বাজারে। পাইকারি বাজারের দাম অনুপাতে আমরা খুচরা বাজারে মালামাল বিক্রি করি।
বাজার করতে আসা রিক্সা চালক আঃ হালিম জানান, করোনার প্রভাবে লোকজন কম থাকায় আমাদের আয়ও অনেক কম। বাজারে সবজির মূল্য যে হারে বাড়ছে তাতে আমাদের মত গরিব মানুষের সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ছে। রাজিব শীল বলেন, মানুষ এখন চুল-দাঁড়ি ছাঁটাতে দোকানে তেমন আসে না। তাই সেলুন মালিক ও শ্রমিকরা এক প্রকার মানবেতর জীবন-যাপন করছে। সেখানে সবজির মূল্য বৃদ্ধিতে চিন্তা আরও বাড়লো।
জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা জি, এম মহিউদ্দীন বলেন, ঘুর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে কৃষি ফসল নষ্ট হওয়ায় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। যা ক্রমেই সহনীয় পর্যায় আসতে শুরু করেছে। এছাড়া কেউ যাতে অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করতে না পারে সে জন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে।