প্রজনন মৌসুমকে ঘিরে গত ১ জুলাই ও ৩১ আগস্ট মাস পর্যন্ত বনের অভ্যন্তরের জেলেদের নদী-খাল ও জলভূমিতে প্রবেশ ও সকল প্রকার মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা হয়েছিল। এতে চরম হতাশা আর দূরাবস্থার মধ্যে পড়েছিল সুন্দরবন উপকূলের প্রায় ৩০ হাজার জেলে পরিবার। দু’মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় মাছ ধরার অনুমতিতে সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল হাজার হাজার জেলে পরিবারে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।
পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. বেলায়েত হোসেন জানান, প্রজনন মৌসুম থাকায় নিষেধাজ্ঞা শেষে বুধবার থেকে জেলেদের সুন্দরবনের অভ্যন্তরের বিভিন্ন খাল ও নদীতে পুনরায় মাছ শিকারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় আপাতত সীমিত আকারে মাছ ধরতে পারবেন জেলেরা।
তিনি আরও বলেন, জেলেদের ছদ্মবেশে কেউ যাতে বিষ দিয়ে মাছ শিকারসহ বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে না পারেন সে জন্য বন রক্ষীদের টহল ও অন্য কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সুন্দরবনের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্ল্যানস এর (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৯ সালে বনবিভাগ প্রতি বছর ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের সকল নদী ও খালে মাছ ধরা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এ বছরের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়াতে বন বিভাগের অনুমতি ও পাসপারমিট সংগ্রহ করতে সুন্দরবনের বিভিন্ন স্টেশনে জেলেদের ভীড় জমেছে। অনেকে অবশ্য আগেই অনুমতি পত্র সংগ্রহ করায় মঙ্গলবার থেকেই মাছ ধরতে নেমে পড়েছেন।