রবিবার (৪ অক্টোবর) সকালে মহানগরীর খালিশপুর কলেজিয়েট গার্লস স্কুলে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। মেয়র বলেন, ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে কোনও শিশু যেন বাদ না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
তিনি বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ এখনও শেষ হয়নি। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি নিদের্শনা মেনে মাস্ক ব্যবহার করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি পালন করতে নগরবাসীকে অনুরোধ করে মেয়র বলেন, ড্রেনে ময়লা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। খুলনাকে তিলোত্তমা নগরী গড়তে মেয়র সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
১১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুন্সি আব্দুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পারভীন আক্তার।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেসিসি’র প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা পলাশ কান্তি বালা, পরিচালক স্বাস্থ্য ডা. রাশেদা সুলতানা, সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ, ইউনিসেফের প্রতিনিধি ডা. শাহানা প্রমুখ। স্বাগত জানান কেসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এএম আব্দুল্লাহ। এ সময় ২, ৫, ৮,৭, ৯, ১১, ১৩ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরা উপস্থিত ছিলেন। পরে মেয়র শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
উল্লেখ্য, এ বছর খুলনা জেলার ৯টি উপজেলা, একটি সিটি করপোরেশন এবং দুইটি পৌরসভায় ৬ হতে ১১ মাস বয়সী ৩১ হাজার ৯২৩ এবং ১২ হতে ৫৯ মাস বয়সী দুই লাখ ৪২ হাজার ৮০ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরে সিটি মেয়র খালিশপুর প্রভাতী মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্বরে নগরীর ইজিবাইক চালকদের মাঝে লাইসেন্স প্রদান উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বলেন, লাইসেন্স ছাড়া কোনও ইজিবাইক নগরীতে চলতে দেওয়া হবে না। বাহির থেকে যেন কোনও ইজিবাইক শহরে ঢুকতে না পারে সে বিষয়ে নিদের্শনাও দেওয়া হয়েছে। সকল ইজিবাইক ড্রাইভারদের ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। যারা নিবন্ধন করেছেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের লাইসেন্স দেওয়া হবে।
রবিবার ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের এক থেকে ৩৭২ নম্বর পর্যন্ত ইজিবাইক চালকদের মাঝে লাইসেন্স বিতরণ করা হবে। দুপুরে খুলনা সিটি করপোরেশন মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক দৌলতপুর মহেশ্বরপাশা বাজারে ডিজিটাল সেন্টারের উদ্বোধন করেন।