এজাহারে যাদের নাম রয়েছে, তারা হলেন—উপজেলার খাজরা ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব বিল্লাহ, একই এলাকার রায়হান খোকা, আল আমিন মোড়ল, মো. শুভ, মামুন হোসেন বাবু ও মজনু সরদার। তবে পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকালে ওই তরুণী চাচার মোটরসাইকেলে সাতক্ষীরায় আসছিলেন। এ সময় কাপসন্ডা স্কুলের কাছে কয়েকজন যুবক তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে জাপটে ধরে। তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় সাকিব বিল্লাহ নামের এক যুবক। তারা তার কাপড় চোপড় টেনে হেঁচড়ে ছিড়ে ফেলে।
তিনি জানান, এ সময় তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে তিনি আশাশুনি থানায় গিয়ে অভিযোগ দেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাকিব বিল্লাহর ভাই খাজরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি লাকি বিল্লাহ বলেন, ‘এমন কোনও ঘটনা সেখানে ঘটেনি।’
আশাশুনি উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আসমাউল হুসাইন বলেন, ‘অভিযোগ সঠিক হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’
ওসি গোলাম কবির বলেন, ‘ওই তরুণী একটি এজাহার দিয়েছেন। আমরা যাচাই বাছাই করছি। অভিযোগ সঠিক হলে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।’