জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের হিসাব মতে, চলতি মৌসুমে কুষ্টিয়া জেলায় ৮৮ হাজার ৮৬২ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের চাষ হয়েছে।
কুষ্টিয়ার মিরপুর গ্রামের ধান চাষি চাঁদ আলী বাদশা বলেন, ‘এবার ১৫ কাঠা জমিতে রোপা আমনের চাষ করেছিলাম। সব মিলিয়ে ধানের ভালো ফলন হয়েছে। আশা করি, এবার ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো।’
দৌলতপুর উপজেলার রিফায়েতপুর ইউনিয়নের ঝাউদিয়া গ্রামের কৃষক নজিবুল ইসলাম বলেন, ‘এবার ৫ বিঘা জমিতে রোপা আমন ধান চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ফলন ভালো হয়েছে। ইতোমধ্যে ধান কাটা শুরু হয়েছে। খরচ বাদ দিয়ে ধান চাষে এবার লাভের আশা করছি।’
মিরপুর উপজেলার চুনিয়াপাড়া গ্রামের চাষি মোহাম্মদ জিন্নাহ আলী বলেন, ‘এ বছর আমি সাড়ে ছয় বিঘা জমিতে রোপা আমনের আবাদ করেছিলাম। ধানের ভালো ফলন পেয়েছি। এখন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ চলছে। বর্তমানে ধানের যে বাজার চলছে আশা করছি, দাম ভালো হবে।’
মিরপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাবিহা সুলতানা বলেন, ‘এ বছর বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্র ধান চাষের অনুকূলে ছিল এবং পোকামাকড়ের আক্রমণ কম ছিল। এ কারণে ধানের ফলন অনেক বেশি হবে। এখন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ ভাগ জমির ধান কর্তন করা হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, গড়ে ৫ থেকে সাড়ে ৫ টন ধান কৃষক পাচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের নির্ধারিত মূল্য এক হাজার থেকে এক হাজার ৫০ টাকা। এই মূল্যে যদি কৃষকরা ধান বিক্রি করতে পারেন, তাহলে অনেক লাভবান হবেন। আমরা কৃষকদের সার্বক্ষণিক বিভিন্ন ধরনের তথ্য দিয়ে সাহায্য করার চেষ্টা করছি। আশা করছি, ভবিষ্যতেও কৃষকরা ধান চাষে আগ্রহী হবেন।’