সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,তার ছেলে বিদেশ থেকে যে টাকা পাঠাত তা নিয়ে পুত্রবধূ কামনিস বেগমের সঙ্গে ঝগড়া ও দাম্পত্য কলহ দেখা দেয় তার ছেলের। এ নিয়ে ভাই দেলোয়ারসহ তাদের যৌথ পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে তার ছেলে ইকবাল গত রবিবার সন্ধ্যায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
তিনি দাবি করেন, পুত্রবধূ কামনিসের প্ররোচনায় ইকবাল এই লোমহর্ষক ঘটনা ঘটায়। এছাড়া তার ছেলে ৩৯ লাখ টাকা পাবে বলে যে দাবি করা হয়েছে তা সত্য নয়। তার বড় ছেলে ইকবাল সিঙ্গাপুরে চাকরিরত অবস্থায় তার কাছে ৩৬ লাখ টাকা পাঠায় এবং তার হজের জন্য ৩ লক্ষ টাকা দেয়। এই টাকার মধ্যে বড় ছেলের নিজ নামের জায়গায় ১৫ লাখ টাকায় একটি বাড়ি বানানো হয়। এছাড়া তার নামে অন্য একটি জায়গায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকায় জমি কিনি এবং ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে একটি গোডাউন নির্মান করে দেওয়া হয়। যার পাওয়ার অব এ্যাটর্নি দেওয়া হয় বড় ছেলে ইকবালের নামেই। আর বাকি টাকা যৌথ ব্যবসায়ে রয়েছে।
তিনি হজ্বে যাওয়ার সময় তার সব ব্যবসায়িক হিসাব বড় ছেলে ইকবাল হোসেনকে বুঝিয়ে দেন। বিভিন্ন ব্যবসায়িক ডিলারদের কাছে গোলাম নবীর যে ৩৭ লাখ ১৩ হাজার টাকা পাওনা ও নগদ ৫ লাখ টাকার চেক ছেলেকে বুঝিয়ে দিয়ে যান। তিনি হজ থেকে ফিরে এসে দেখে বড় ছেলে ইকবাল সমস্ত ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড ঠিকমতই পরিচালনা করছিল। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কোনও বিরোধ ছিল না।
তিনি সাংবাদিকদের আরও জানান, এ ঘটনার পর বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারেন যে, বড় ছেলে ইকবাল তার কাছে ৩৯ লাখ টাকা পেত বলে দাবি করে। এই টাকা তাকে বুঝিয়ে না দেওয়ায় তার ৩ নাতিকে সে হত্যা করে বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। গোলাম নবী জানান, তার সব সম্পদ তার ছেলে-মেয়েদের মধ্যে সমবণ্টন করা হয়েছে। যার দালিলিক প্রমাণও রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে শৈলকুপা প্রেসক্লাবের সভাপতি সম্পাদকসহ সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
/এসএম/