করোনার ভারতীয় ধরন রোধে বেনাপোলে বিজিবি মোতায়েন

হঠাৎ করে করোনা সংক্রমণ বাড়ায় ভারতীয় ট্রাকচালকদের বেনাপোল বন্দরের বাইরে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। এরই মধ্যে স্থলবন্দর ও সীমান্তে কঠোর নজরদারি শুরু করেছেন বিজিবির সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) সকাল থেকে বিজিবি মোতায়েন করা হয়। দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর-৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ সেলিম রেজা।

তিনি বলেন, শার্শা উপজেলার ১০১ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে কঠোর নজরদারি শুরু করেছে বিজিবি; যাতে করে অবৈধভাবে কেউ ভারত থেকে বাংলাদেশে ঢুকতে না পারেন। করোনার ভারতীয় ধরনের সংক্রমণ রোধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বেনাপোল স্থলবন্দরসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় চলাচলকারীদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে।

লে. কর্নেল মোহাম্মদ সেলিম রেজা বলেন, ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকচালকরা যেন বন্দরের বাইরে যেতে না পারেন সেজন্য বন্দর এলাকায় অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। ২৪ ঘণ্টা টহল অব্যাহত আছে। স্থলবন্দর ও সীমান্তবর্তী এলাকায় চলাচলকারী লোকজনকে মাস্ক ব্যবহার করার জন্য সচেতন করছে বিজিবি।

তিনি আরও বলেন, করোনার ভারতীয় ধরন বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে। এজন্য সীমান্তের সাদিপুর, বড়আচড়া, গাতিপাড়া, দৌলতপুর, রঘুনাথপুর, ঘিবা ধান্যখোলা, শালকোনা, শিকারপুর, কাশিপুর ও বন্দর এলাকাকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় চলাচল সীমিত করা হয়েছে।

বেনাপোল পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুল জব্বার বলেন, প্রয়োজন ছাড়া যাতে আমার এলাকার মানুষ ঘরের বাইরে বের না হয় সেজন্য মাইকিং করা হচ্ছে। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে অনুরোধ করছি।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবিব বলেন, ভারত থেকে ৭০ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। ভারতে গেছেন ৫১ জন ভারতীয়। ভারতফেরতদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনের জন্য বেনাপোল ও যশোরের বিভিন্ন হোটেল ও গেস্ট হাউসে রাখা হয়েছে।