গুঞ্জন উঠেছিল স্থায়ী ঠিকানা না থাকার কারণে পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরি পাননি খুলনার মীম আক্তার। যদিও জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান জানিয়েছিলেন, ‘মেডিক্যালে আনফিট’ হওয়ায় তার চাকরি হয়নি। তবে আবারও পুলিশ কনস্টেবল পদে মীমের চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা জেগেছে। তাকে ডাকা হয়েছে পুলিশের ট্রেনিংয়ের জন্য। সেখানে উত্তীর্ণ হলেই মিলবে চাকরি। আগামী ২৯ ডিসেম্বর তার ট্রেনিং।
এ বিষয়ে খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) তানভির আহমেদ জানান, মীমকে পুলিশ ট্রেনিংয়ের জন্য ডাকা হয়েছে। এ জন্য তাকে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। ট্রেনিংয়ে সফল হলে চাকরি হয়ে যাবে।
মীম আক্তার বলেন, ‘শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় টেক্সটাইল মিল ফাঁড়িতে আমাকে ডেকে নেওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে একটি চিঠি দেয়। সে চিঠিতে ২৯ ডিসেম্বর সকাল ৮টার মধ্যে পুলিশ রিজার্ভ অফিসে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। ট্রেনিংয়ের প্রস্তুতি নিয়ে যেতে বলেছে। ট্রেনিংয়ে যেতে প্রয়োজনীয় উপকরণের তালিকাও দিয়েছে। এখন প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
মীম খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার তিন নম্বর আবাসিক এলাকায় বসবাসরত রবিউল ইসলামের মেয়ে। পুলিশের নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে প্রতিটি ধাপ সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন। কিন্তু গত ১১ ডিসেম্বর সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগে করে মীম জানান, স্থায়ী ঠিকানা না থাকার কারণে তার চাকরি হচ্ছে না।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, ‘মীম মেডিক্যাল পরীক্ষায় সম্পূর্ণ আনফিট হয়। সে কারণে তাকে চাকরি দেওয়া যায়নি।’
পরে বিষয়টি নিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। যা পুলিশ সদরদফতরের নজরদারিতেও আসে। সার্বিক বিষয় পর্যালোচনার পর তাকে ট্রেনিংয়ের জন্য ডাকা হয়েছে। এদিকে, ভূমিহীন মীমকে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের জমি ও ঘর দেওয়ার ঘোষণা আগেই দিয়েছিল খুলনা জেলা প্রশাসন।