বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, ‘বিএনপি নানা ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। লন্ডনে বসে দেশ চালাবে, লন্ডনে বসে দিক-নির্দেশনা দেবে, তা হবে না। বিএনপি কিছুই করতে পারবে না, রাজপথে কিছুই করতে দেবো না, রাজপথেই হবে মোকাবিলা।’
বুধবার (১২ অক্টোবর) বিকালে বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে শ্রমিক লীগের ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
শেখ হেলাল বলেন, ‘বিএনপির সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে থাকতে হবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে।’
সমাবেশে খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে নামাতে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বিএনপি। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে দেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর অচল করে দেওয়া হয়েছিল। তারা ক্ষমতায় গেলে নিজেদের ছাড়া দেশের উন্নয়ন করে না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছে।’
সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই দেশি-বিদেশি সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করেছেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই দেশে মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু টানেল, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বঙ্গবন্ধু রেল সেতুসহ অনেক মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। এখন তারা পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে নানা ষড়যন্ত্র করছে। তারা আওয়ামী লীগকে আন্দোলনের ভয় দেখায়। রাজপথ হচ্ছে আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় ঘর। আওয়ামী লীগ রাজপথে থেকে বিএনপির সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করবে।’
আমরা নিরপেক্ষ নই, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি উল্লেখ করে সমাবেশে বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময় বলেন, ‘পঁচাত্তরের ঘাতকরা বাঁকা পথে ক্ষমতায় যেতে আবারও ষড়যন্ত্র করছে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে তাদের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করবো। আগামী নির্বাচন হবে আমাদের শেষ লড়াই। হয়তো তারা থাকবে, না হয় আমরা থাকবো।’
জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি রেজাউর রহমান মন্টুর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল আলম মিলন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামরুজ্জামান টুকু, সাধারণ সম্পাদক ভূঁইয়া হেমায়েত উদ্দিন, বাগেরহাট পৌরসভার মেয়র খান হাবিবুর রহমান ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগসহ শ্রমিক লীগের নেতারা।