মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল মামলার প্রধান আসামী শেখ খালিদের ছবি সম্বলিত পোস্টার। ওই পোস্টারে লেখা ছিল— খালিদ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীকে গ্রেফতার করুন।
মানববন্ধন চলাকালে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা খুলনার কো-অর্ডিনেটর অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম, নিহতের বাবা ও মামলার বাদী ফরিদ সর্দার, মা রাবেয়া বেগম ও বোন তাছলিমা বেগম।
উল্লেখ্য, ৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় সুজনকে দুর্বৃত্তরা বাসা থেকে ডেকে খালিশপুর বার্মাশীল (বিজেএমসি মিল শ্রমিকদের) কবরস্থানের ভিতরে নিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৯ ফেব্রয়ারী রাতে ঢাকায় আনার পথে তিনি মারা যান। ১৪ ফেব্রুয়ারি নিহতের পিতা ফরিদ সর্দার বাদী হয়ে ১৭ জনকে আসামী করে খালিশপুর থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
এ পর্যন্ত পুলিশ সুজন হত্যা মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে। এরা হচ্ছে দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি মধ্যপাড়ার বাসিন্দা মামুন ওরফে বলদ মামুনকে (২৩) ও দিঘলিয়া থানার সেনহাটি পালপাড়ার জাফরের বাড়ীর ভাড়াটে লিটন ওরফে আজা লিটন (২৭)। মামলার প্রধানসহ অন্যান্য আসামীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে।
/এইচকে/