যশোরের কেশবপুর সহকারী জজ আদালতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। অজ্ঞাত চোরেরা ওই আদালতের বিচারক নাজনীন সুলতানার কম্পিউটারের সিপিইউসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে গেছে।
শনিবার (৯ মার্চ) গভীর রাতে আদালত কক্ষের দরজার তালার নাটবল্টু খুলে এ চুরি সংঘটিত হয়। আদালত সংশ্লিষ্টরা চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) কাজ শেষে কেশবপুর সহকারী জজ আদালতের কক্ষ তালাবদ্ধ করে চলে যান বেঞ্চ সহকারী মনিরুজ্জামানসহ অন্যরা। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বেঞ্চ সহকারী রবিবার ও সোমবার ছুটি নেওয়ায় ভারপ্রাপ্ত বেঞ্চ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পান শরিফুল আলম। রবিবার (১০ মার্চ) সকালে তিনি আদালতে এসে দরজা খোলা দেখতে পান। এ সময় আদালত কক্ষে কেউ ছিল না। অফিস সহকারীকে ডেকে আনলে জানান, তিনি তালা খোলেননি। এরপর বিষয়টি আদালতের বিচারক নাজনীন সুলতানাকে অবহিত করা হয়। পরে বিচারক বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। পুলিশের দুজন উপপরিদর্শক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ভারপ্রাপ্ত বেঞ্চ সহকারী শরিফুল আলম জানান, সকালে এসে তিনি আদালতের দরজা খোলা দেখতে পান। দরজার তালা লাগানো ছিল। তবে তালা লাগানোর হ্যাসবোল্টের নাটবল্টু খোলা ছিল। তিনি এই এজলাসে নতুন, ফলে কী কী খোয়া গেছে তা তিনি বলতে পারছেন না। পুলিশ কর্মকর্তারা এসেছিলেন তারা বিচারকের সঙ্গে কথা বলে গেছেন।
এ বিষয়ে জেলা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও নাজির মো. বাবর আলী জানান, বিচারকের কম্পিউটারের একটি সিপিইউ চুরি হয়েছে। এ ছাড়া কোনও কাগজপত্র চুরি হয়েছে কিনা সেটা বলা সম্ভব হচ্ছে না। মামলা করা হবে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘চুরির বিষয়টি শুনেছি। দুই অফিসারকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। এখনও মামলা হয়নি।’