এর আগে শনিবার রাতে ভাঙচুর, হামলা ও মারামারির তিনটি মামলায় তাদের গ্রেফতার করা হয়।
ঝিনাইদহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান জানান, শনিবার রাতে যাত্রাপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম, খড়াশুনি গ্রামের আবুল হোসেন ও শিমুল হোসেন বাদী হয়ে রবিউল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ভাঙচুর, হামলা ও মারামারির তিনটি মামলা করেন। প্রতিটি মামলায় ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর পুলিশ ঝিনাইদহ শহরের ব্যাপারীপাড়া ও বিভিন্ন এলাকা থেকে রবি চেয়ার্যামনসহ ২০ জনকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রবিবার দুপুরে তাদেরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
গ্রেফতারকৃত অন্যরা হলেন ভিটশ্বর গ্রামের বজলুর রহমান (৫০), আতাউর রহমান (৩০), হেলাল উদ্দিন (৫০), আনোয়ার হোসেন (৫০), একই গ্রামের কুদ্দুস মল্লিক (৪২), নূর আলী (৪০), আজিবর রহমান (৩৯), মোলামদী (৩০), মামুন হোসেন (৫০),আব্দুল ওহাব (৩৫), আলম হোসেন (৩৬), আসাদ খাঁ (৪০), জিয়াউর রহমান (৪৫), যাত্রাপুর গ্রামের ওহিদুজ্জামান তুহিন (৩২), আড়মুখী গ্রামের আজিজুর রহমান (২৫), খড়িখালী গ্রামের নায়েব আলী (৪২),সাদ্দাম (২২), ব্যাপারী পাড়া এলাকার রাশেদ (৩০), ব্যাপারীপাড়ার ইমরান হোসেন (৩২)।
তবে ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম রবি বলেন, আমি একজন জনপ্রতিনিধি। মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে গ্রেফতার করানো হয়েছে।
আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান জানান, সোমবার তাদের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হবে।
/বিটি/এএইচ/আপ-এনএস/