যশোরের বসুন্দিয়া বাজারের গাইদগাছি এলাকায় শিবিরের আঞ্চলিক অফিসের পেছনে একটি বাগানের মধ্যে ‘বাংকার’ নির্মাণ করার সময় ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। ওই সময় সেখান থেকে ১০টি বোমা, বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও একটি রামদা উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটলেও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি প্রথমে সাংবাদিকদের বলতে চাননি।
তবে রাত সোয়া ৮টার দিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একে এম আরিফুল হক সংবাদ সম্মেলন করে জানান, ওই বাংকার নির্মাণের সময় ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এর আগে সন্ধ্যায় যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন জানান, গাইদগাছি এলাকার রাশেদুল ইসলামের মেহগনি বাগানের ভেতরে একটি ৩২ ফুট লম্বা, ১২ ফুট চওড়া এবং ৮ ফুট গভীর একটি ‘বাংকার’ নির্মাণ করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১২ জনকে আটক এবং ১০টি বোমা, ২ কেজি জালের কাঠি, ২ কেজি কাচের টুকরো, আধা কেজি পটাশ, সাইকেলের বল ২৫০ গ্রাম, বারুদ ২০০ গ্রাম, ১৫টি লাঠি এবং একটি জামায়াতের গঠনতন্ত্র ও প্রচার বই উদ্ধার করা হয়।
এ ব্যাপারে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এটি নির্মাণাধীন একটি বাড়ির বেজমেন্ট। নিচে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ঘর নির্মাণ করা হচ্ছিল।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটিকে যদি পুলিশ ‘বাংকার’ বলে তা হলে আর কিছুই বলার থাকে না।
যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, তিনি ছুটিতে আছেন। বিষয়টি সম্পর্কে তিনি ক্লিয়ার নন।
তবে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে এটিকে বাংকার হিসেবেই ধরা হচ্ছে। সেখান থেকে জামায়াত-শিবিরের কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। জমির মালিকও জামায়াতের লোক। আর নির্মাণাধীন ওই বাংকারের খোলা কোনও সিঁড়ি নেই।
/বিটি/এমএসএম/এজে/