আনু মুহাম্মদ বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিকল্প আছে কিন্তু সুন্দরবনের কোনও বিকল্প নাই। সরকার জনগণকে ধোঁকা দিচ্ছে, বিদ্যুৎ প্রকল্প হলে অনেক লোকের কর্মসংস্থান হবে। কিন্তু এখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের ক্ষতি হবে।
এদিন দুপুরে ২টার দিকে খুলনা-মংলা মহাসড়কের বাগেরহাটের কাটাখালী মোড়ে মিছিল, সমাবেশ ও ঘোষণা পাঠের মধ্যে দিয়ে চারদিনের কর্মসূচি সমাপ্তি ঘোষণা করেন তিনি। এর আগে তারা গাড়িযোগে খুলনা থেকে বাগেরহাট শহরে পৌঁছে একটি মিছিল করে।
তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সরদার রুহিন হোসেন প্রিন্স, ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরো সদস্য বিমল বিশ্বাস, গণসংহতি স্বমন্বয়ক জুনায়েদ সাকী, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা বজলুর রশিদ ফিরোজ, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের নেতা নজরুল ইসলাম, ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক জিলানী শুভ, জেলা কমিটির আহ্বায়ক রনজিৎ চট্টোপাধ্যায়,ও সদস্য সচিব ফররুখ হাসান জুয়েলসহ প্রমুখ এ জনযাত্রায় অংশ নেয়।
এই কমিটির গত বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে সমাবেশ ও মিছিল করে তাদের চারদিনের ‘জনযাত্রা’ কর্মসূচি শুরু করে।
জনযাত্রা দলটি সুন্দরবন অভিমূখে যাওয়ার পথে মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, যশোর, খুলনার বিভিন্ন স্থানে পথসভা ও সমাবেশ করে।
/এআর/