ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় খুলনায় ৬০৪ আশ্রয়কেন্দ্র, মজুত আছে ৭০৭ টন চাল

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘দানার’ আঘাত মোকাবিলায় খুলনা জেলায় ৬০৪টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এগুলোতে মানুষের অবস্থান করার মতো পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করা হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সে স্থানগুলোতে নজর রেখে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বলা হয়েছে। দুর্যোগকালে স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মতো জরুরি সেবা নিশ্চিতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। বুধবার বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ সভা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। সভায় সিভিল সার্জন ডা. শেখ সফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বিতান কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজুর রহমান, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম উপস্থিত ছিলেন।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম বলেন, ‘ত্রাণ তহবিলে ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকা, শিশু খাদ্যের জন্য চার লাখ টাকা, গোখাদ্যের জন্য চার লাখ টাকা এবং ৭০৭ টন চাল মজুত আছে। আশ্রয়কেন্দ্রে লোকজন আসার পর এগুলো প্রয়োজন অনুয়ায়ী বরাদ্দ দেওয়া হবে। কয়রা, দাকোপ, পাইকগাছা ও বটিয়াঘাটা উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্র ৪৩১টি। এগুলোতে দুই লাখ ৬০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে।’
 
আবহাওয়া অধিদফতরের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।