মেহেরপুরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা

মেহেরপুরে গাংনীতে আলমগীর হোসেন নামের এক ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতিকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকালে গাংনী উপজেলার ষোলটাকা ইউনিয়নের সহড়াবাড়ীয়া গ্রামের মাঠে তার লাশ পাওয়া যায়।

নিহত আলমগীর হোসেন গাংনী পৌর এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ও বাঁশবাড়ীয়া গ্রামের মঈনউদ্দীনের ছেলে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সহড়াবাড়ীয়া গ্রামের ইছাখালীর মাঠ থেকে তার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে গাংনী থানা পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সহড়াবাড়ীয়া গ্রামের ইছাখালীর মাঠের জনৈক কামরুজ্জামানের তামাকক্ষেতের পাশে এক ব্যক্তির রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখেন কৃষকরা। পরে গাংনী থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে স্থানীয়দের সহায়তায় লাশ শনাক্ত করে।

বুধবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আলমগীরকে অনেকেই গাংনী শহরে ঘোরাফেরা করতে দেখেছেন। রাত ১টার দিকে তার পরিবারের লোকজন জানায়, আলমগীরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সকালে তার রক্তাক্ত লাশ সহড়াবাড়ীয়া গ্রামের মাঠ থেকে উদ্ধার করা হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তারা এই হত্যার কঠিন বিচার দাবি করেছেন।   

মেহেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাবেদ মাসুদ মিল্টন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আটকের জন্য আলটিমেটাম দেন তিনি।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। সেই সঙ্গে দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।’