বটিয়াঘাটায় বোমা ও গুলি বর্ষণ : আ’লীগ প্রার্থীসহ দুইজনের নির্বাচন বর্জন

 খুলনা

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার সুরখালী ইউনিয়নের গাওঘরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের পাশে মঙ্গলবার দুপুরে বোমা ও গুলি বর্ষণ করা হয়। এসময় একজন আহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নৌকাসহ দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন।

মোমিন উদ্দিনকে নামে গুলিবিদ্ধ একজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনার পর স্থানীয় জনতা হামলাকারী সন্দেহে ৩ জনকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

তারা হলেন, পাইকগাছা উপজেলার দেলুটির অপূর্ব, লস্করের কৃষ্ণপদ ও খুলনা মহানগরীর রফিকুল ইসলাম। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে হামলা ও ভাঙ্গচুরের ঘটনা ঘটেছে।

বটিয়াঘাটা থানার ওসি মামুন অর রশীদ বলেন, দুপুরে দুটি মোটরসাইকেলে করে ৬ যুবক গাওঘরা স্কুল কেন্দ্রের পাশের মাঠ সংলগ্ন সড়কে এসে দাঁড়ায় এবং প্রথমে মাঠের মধ্যে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এরপর তারা এক রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে। এ ঘটনার পর স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে ৩ জনকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ সেখান থেকে ৩ জনকে উদ্ধার করে। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত অপূর্ব ও লস্করকে পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং রফিককে থানা হাজতে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন,কেন্দ্রের বাইরে গুলি ও ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় ভোট গ্রহণের ওপর কোনও প্রভাব পড়েনি।

সুরখালী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মুশফিকুর রহমান সাগর বলেন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল হাদী সরদারের লোকজন বোমা ও গুলি ছুঁড়ে ত্রাস সৃষ্টি করেছে। তিনি বিজয় ছিনিয়ে নিতে তৎপর রয়েছে। এই অবস্থার কারণে তিনি নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন।

শুধু সাগরই নয়,এই ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান শেখ হেমায়েত আলীও নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন।

/জেবি/