‘অভ্যুত্থানের পর ঝিনাইদহে আ.লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জুলুম করা হয়েছে’

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদরের ৪টি ইউনিয়ন) আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন বলেছেন, বিএনপিকে নিয়ে অতীতে নানা চক্রান্ত হয়েছে, এখনও নানা চক্রান্ত চলছে। চক্রান্ত করে বিএনপিকে কি থামানো গেছে? ঝিনাইদহ-৪ আসনেও বিএনপিকে নিয়ে চক্রান্ত চলছে, কিন্তু চক্রান্ত করে বিএনপিকে থামানো যাবে না। এই আসন থেকে আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেন তাহলে এই আসনের কোথাও কোন কাঁচা রাস্তা থাকবে না। এই রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন হবে ইনশা আল্লাহ।

তিনি বলেন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কৃষি উন্নয়ন হবে। এ ছাড়া দুর্নীতি ও মাদক বন্ধ করা হবে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকালে কালীগঞ্জ শহরের সরকারি নলডাঙ্গা ভুষণ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ধানের শীষের বিশাল নির্বাচনি জনসমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জুলুম করা হয়েছে। যারা মনে করেছিল, আমরা নমিনেশন পাবো, আমরা ক্ষমতার আগে এমপি হয়ে গেছি- সেই নেতার নির্দেশনায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম করা হয়েছে। মামলা বাণিজ্য করেছে। যারা আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান-মেম্বার ছিল তাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, হাট দখল, বাজার দখল, স্ট্যান্ড দখল যারা করে রেখেছে আমি নির্বাচিত হলে তা উদ্ধার করবো । ঝিনাইদহ-৪ আসনে কোনও চাঁদাবাজি দখলদারিত্ব চলবে না। ঝিনাইদহ সদরের ৪টি ইউনিয়ন ও কালীগঞ্জ উপজেলা নিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসন গঠিত। আমি সদর উপজেলার সন্তান। আজকের কতিপয় দুর্বৃত্ত আমাকে বলছে বহিরাগত। তিনি প্রশ্ন করেন আমি কি বহিরাগত? জাতীয় পর্যায় থেকে রাজনীতি করে যেকোনও জায়গা থেকে নির্বাচন করা যায়। ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে তারেক রহমানকে বিজয়ী করবেন।

তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থীর উদ্দেশ্যে বলেন, কেউ যদি বিএনপির পরিচয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছবি, দেশনেত্রীর ছবি, তারেক রহমানের ছবি দিয়ে বলেন, বিএনপি মানে স্বতন্ত্র তাদেরকে আপনারা ঝাটিয়ে বিদায় করবেন। যারা তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত মানবে না। যারা বিএনপি হয়ে কাজ করবে না। তাদের জন্য আজীবন বিএনপির দরজা বন্ধ হবে। এখনও সময় আছে আপনার বিএনপি পক্ষে ধানের শীষের পক্ষে চলে আসুন। আপনাদের সঙ্গে কোন বিভেদ নেই।