ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক শ্রমিক নেতা সোহরাব হোসেন বলেন, রবিবারের মধ্যে শ্রমিকদের নায্য দাবি বাস্তবায়ন না হলে সোমবার থেকে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাজপথ ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি শুরু হবে। যা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত চলবে। এই কর্মসূচি চলাকালে খালিশপুরের তিনটি তেল ডিপো থেকে তেল সরবরাহও বন্ধ করে দেওয়া হবে। ফলে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের পাশাপাশি দেশের উত্তরাঞ্চলেও তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়বে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় খালিশপুর ক্রিসেন্ট জুট মিল গেটের সামনে বিআইডিসি রোডে অনুষ্ঠিত শ্রমিক জনসভায় সভাপতিত্ব করেন রাষ্ট্রায়ত্ত জুট মিল সিবিএ-নন সিবিএ ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মো. সোহরাব হোসেন। বক্তৃতা করেন শ্রমিক নেতা মো. শাহ আলম, কাওসার আলী মৃধা, মো. খলিলুর রহমান, মো. দ্বীন ইসলাম, মো. বেল্লাল মল্লিক, আ. মান্নান, নুরুল হক, আবুল কালাম জিয়া, আশরাফ হোসেন, তরিকুল ইসলাম, আবু হানিফ, জাহিদ হোসেন জাহাঙ্গীর, জাকির হোসেন, মনির হোসেন, জোনাব আলী, বেল্লাল হোসেন, আ. সালাম, আ. রশীদ, মো. আলাউদ্দীন, এস এম জাকির হোসেন, হাসান উল্লাহ, হারুন আর রশিদ মল্লিক, জাহিদুল ইসলাম লাল, আব্দুল ওহাব প্রমুখ।
উল্লেখ্য, পাট খাতে প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড়, পে-কমিশনের মতো শ্রমিকদের জন্য মজুরি কমিশন বোর্ড গঠন, সকল পাওনা পরিশোধ, খালিশপুর ও দৌলতপুর জুট মিল জাতীয়করণ এবং কর্ণফুলী জুট মিলের শ্রমিকদের স্থায়ীকরণের দাবিতে ৪ এপ্রিল থেকে শ্রমিকরা মিলের উৎপাদন বন্ধ রেখে ধর্মঘট শুরু করেন। পরদিন থেকে টানা তিনদিন শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা করে রাজপথ ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল সিবিএ-নন-সিবিএ ঐক্য পরিষদের আহ্বানে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
/বিটি/এএইচ/