বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম আর বাড়ানোর কোনও পরিকল্পনা সরকারের নেই। বরং সুযোগ তৈরি হলে বর্তমান দামের চেয়ে কমানো হবে।’
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে জেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষরোপণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম এখনও কম। দামের বড় ব্যবধান থাকলে তেল পাচার ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণেই বিকল্প না থাকায় সরকার বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কেটে গেলে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল হলে দেশে দাম সমন্বয় করা হবে। সুযোগ তৈরি হলে আগের তুলনায় জ্বালানি তেলের দাম কমানো হবে।’
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানও বক্তব্য দেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বলেন, ‘দলটি বিরোধী দল থেকে জালিমে পরিণত হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের মতো ফ্যাসিবাদী আচরণ করছে। এর জবাব জনগণই দেবে।’