উদ্ধার হওয়া শিশুটি আশাশুনি উপজেলার কুন্দুড়িয়া গ্রামের মতিয়ার মেম্বরের ছেলে ও কুন্দুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। আটক পাচারকারী শ্যামনগর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের বিভাশ কুমারের ছেলে।
আরও পড়ুন: চাঁদা না দেওয়ায় যুবককে জেলহাজতে পাঠানো সেই এএসআই প্রত্যাহার
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমদাদুল হক শেখ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, মতিয়ার রহমানের সঙ্গে কয়েক বছর আগে মহাসাগর কুমার কৌশলে আত্মীয়তার সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এ সুবাদে মহাসাগর প্রায়ই মতিয়ারের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। বৃহস্পতিবার সকালেও মহাসাগর মতিয়ারের বাড়িতে যায়। মুন্না এ সময় স্কুলে ছিল। বাড়িতে ফেরার পর মুন্নাকে নতুন জামা কিনে দেওয়ার কথা বলে মহাসাগর ডেকে নিয়ে যান।
ওসি আরও জানান, এরপর ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে তলুইগাছা সীমান্তে নিয়ে আসলে মুন্না চিৎকার করে কাঁদতে থাকে। স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে তাদেরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
/এএ/