কালীগঞ্জের ৭৮টি কেন্দ্রের মধ্যে সবই ঝুঁকিপূর্ণ

ইউপি নির্বাচন ২০১৬ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শনিবার (২৩ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সীমানা জটিলতার কারণে উপজেলার সিমলা-রোকনপুর ও রায়গ্রামসহ দুটি ইউনিয়নে নির্বাচন হচ্ছে না। স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টিতে ৯টি ইউনিয়নের ৭৮টি কেন্দ্রের মধ্যে সবকটিই ঝুঁকিপূর্ণ।
নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মাঠে থাকছে তিন প্লাটুন বিজিবি, ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য ও ১,৩২৮ জন আনসার সদস্য। এছাড়া প্রতিটি ইউনিয়নে পুলিশের তিনটি মোবাইল টিম ও র‌্যাব সদস্যরা সার্বক্ষণিক টহলে থাকবেন।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাকিব জানান, কালীগঞ্জ উপজেলায় সুন্দরপুর-দুর্গাপুর, জামাল, কোলা, নিয়ামতপুর, সিমলা-রোকনপুর, ত্রিলোচনপুর, রায়গ্রাম, মালিয়াট, বারবাজার, কাষ্টভাঙ্গা, রাখালগাছিসহ মোট ১১টি ইউনিয়ন রয়েছে। এসব ইউনিয়নের মধ্যে সীমানা জটিলতার কারণে সিমলা-রোকনপুর ও রায়গ্রাম ইউনিয়নে নির্বাচন হচ্ছে না। 

তিনি আরও জানান, নির্বাচনে ৯টি ইউপিতে বর্তমানে চেয়ারম্যান পদে ২৫ জন, সাধারণ সদস্য পদে ১৫৯ জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৭১জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে মাঠে রয়েছেন। এর মধ্যে ২নং জামাল ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে মোদাচ্ছেন হোসেনসহ ১০ সদস্য একক প্রার্থী হওয়ায় তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এদিকে, নির্বাচনের শুরু থেকেই প্রচার-প্রচারণায় বাধা, ভাঙচুর, হামলা ও ভয়ভীতি দেখানোসহ নানা অভিযোগ রয়েছে সরকার দলীয় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। উপজেলার ৯ ইউপিতে আগেই বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের এক প্রার্থীসহ একাধিক চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কালীগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃংখলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কঠোর অবস্থানে আছেন। নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে প্রতি কেন্দ্রে ১৭ জন পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল টিমসহ র‌্যাব ও বিজিবি সদস্যরা সার্বক্ষণিক টহলে থাকবেন।

 আরও পড়তে পারেন: 

ইউপি নির্বাচন ২০১৬কাশিয়ানীর ১২৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮৬টি ঝুঁকিপূর্ণ

/বিটি/