এ ঘটনায় নিহতের পুত্র মোস্তাফিজুর রহমান ও কেয়ারটেকার সেকান্দর আলীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ফুলবাড়িয়া থানার ওসি রিফাত খান রাজিব জানায়, মোস্তাফিজ ও কেয়ারটেকার সেকান্দর হত্যার কথা স্বীকার করেছে।
ময়মনসিংহ গোয়েন্দা শাখার তদন্তকারী অফিসার মফিজুল ইসলাম পিপিএম ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, 'নিহত শাহজাহান নিখোঁজের বেশ কিছু দিন আগে বিউটি নামের একটি মেয়েকে বিয়ে করেন। পরে তার ছেলে মোস্তাফিজ বিষয়টি জানতে পেরে বিউটিকে ময়মনসিংহে নিয়ে জোর করে তার বাবাকে তালাক দেওয়ায়। এতে বাবা-ছেলের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সেই জের ধরে গত ১৭ এপ্রিল ছেলে মোস্তাফিজ ও কেয়ারটেকার সেকান্দর পরিকল্পিতভাবে ব্যবসায়ী শাহজাহানকে হত্যা করে। এরপর লাশ ছয় ফিট মাটির নিচে লুকিয়ে রাখে।'
তিনি আরও জানান, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এরআগে বাবাকে খুঁজে না পেয়ে পুত্র মোস্তাফিজ গত ২১ এপ্রিল ফুলবাড়ীয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। পরবর্তীতে ঘাটাইলের হলুদ ব্যবসায়ীক প্রতিদ্বন্দী হানিফ মিয়াসহ ছয় জনকে আসামি করে অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য, উপজেলার কেশরগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী শাহজাহান কিটনাশকের পাশাপাশি হলুদের ব্যবসা করতেন।
/এনএস/
আরও পড়ুন- ‘সরকারি খুতবা’ প্রত্যাখ্যান, আন্দোলনের হুমকি হেফাজতের নারায়ণগঞ্জ শাখার