তিনি জানান, হাতিটি যদি সুস্থ থাকে তাহলে অজ্ঞান করে গারো পাহাড়ে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হবে। আর যদি অসুস্থ থাকলে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে নিয়ে যাওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার সকালে হাতিটি অবিস্থান করছিল জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার চরশিশুয়ার আখক্ষেতে। পরে বন্যপ্রাণিটি ওই এলাকা থেকে উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের বরবাড়ীয়া গ্রামে চলে আসে এবং সেখানে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অবস্থান করে। কিন্তু এখানেও না থেকে হাতিটি আবারও নদীতে নেমে যায় এবং ঝিনাইয়ের শাখানদী কিষ্টপুর অতিক্রম করে ওই ইউনিয়নের কান্দারপাড়া গ্রামে ঢুকে পরে।
এদিকে, নিজেদের গ্রামে বন্য হাতিটিকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা হইচই শুরু করে দিলে প্রাণিটি আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে ওই গ্রামের পাট খেতের মধ্যে দিয়ে এদিক ওদিক চলতে থাকে। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত হাতিটিকে এভাবে চলতে দেখা যায়।
তবে হাতিটি বারবার অবস্থান বদলানোতে তাকে ঠিকমতো অনুসরণ করতে পারছে না ভারতের আসাম থেকে আসা তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ দলটি। জানা গেছে, বাংলাদেশের বন কর্মকর্তারা হাতিটিকে অনুসরণ করছিল। তবে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত তারা কান্দার পাড়া পর্যন্ত পৌঁছতে পারেননি।
বিশেষজ্ঞ দলটি আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর এসে হাতিটিকে উদ্ধারে কৌশল নির্ধারণ করার জন্য প্রাণিটির গতিবিধি অনুসরণ শুরু করে। তবে তারা হাতিটি বারেবারে অবস্থান পরিবর্তন করায় এখনও সুবিধা করে উঠতে পারেননি তারা। তবে দ্রুতই এ সমস্যা দূর করে একটা কার্যকর উপায় ঠিক করা হবে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় দলটিকে সহায়তা করা বাংলাদেশি দলটির প্রধান ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা গোবিন্দ রায়। তিনি জানান, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত হাতিটি উদ্ধার করা হবে।
ভারতের আসাম থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দলের মধ্যে আছেন আসামের গোয়ালপাড়া জেলার বন কর্মকর্তা সোলেমান উদ্দিন চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা রিথেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য্য, এবং আসামের ভেটেরিনারি সার্জন ড. কে. কে. শর্মা।
আরও পড়ুন- বন্য হাতিটি উদ্ধারে ভারতীয় দল জামালপুরে
/এফএস/এপিএই্চ/