জামালপুরের সরিষাবাড়ির কয়রা গ্রাম থেকে বন্যার পানিতে ভেসে আসা ভারতীয় বন্য হাতিটি উদ্ধার করেছে বনবিভাগ।
বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে সরিষাবাড়ি উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের কয়রা এলাকায় দূর নিয়ন্ত্রিত চেতনানাশক ইঞ্জেকশন দেওয়া হলে হাতিটি জ্ঞান হারিয়ে একটি ডোবায় পড়ে যায়। বন কর্মকর্তারা দড়ি দিয়ে বেঁধে সেখান থেকে হাতিটিকে ডাঙায় তুললেও এখনও হাতিটির জ্ঞান ফেরেনি।
হাতিটি উদ্ধারে বাংলাদেশ বিশেষজ্ঞ টিমের প্রধান বাংলাদেশ নেচার কনজারভেটিভ সোসাইটির প্রধান নির্বাহী পরিচালক ডক্টর তপন কুমার দে জানিয়েছেন, এখন হাতিটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। জ্ঞান না ফেরা পর্যন্ত হাতিটিকে একটি বড় গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হবে।
তিনি জানান, ঢাকা থেকে একটি উচ্চ ক্ষমতার ফ্রকলিফট ক্রেন সরিষাবাড়িতে আনা হচ্ছে। ক্রেন আসলে হাতিটিকে ট্রাকে করে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক বা ঢাকা চিড়িয়াখানায় নেওয়ার কথা ভাবছেন তারা।
উল্লেখ্য, গত ২৭ জুন ভারতীয় এই বন্য হাতিটি বন্যার পানিতে ভেসে বাংলাদেশে ঢুকে পড়ে। প্রায় দেড়মাস যাবত এটি জামালপুর, কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ার চরাঞ্চলে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। হাতিটি উদ্ধারে গত ৪ আগস্ট ভারতীয় একটি বিশেষজ্ঞ দল বাংলাদেশে আসে। ৫ আগস্ট থেকে টানা তিনদিন তারা উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। কিন্ত কোনোভাবেই হাতিটিকে ডাঙ্গায় ভেড়ানো সম্ভব হয়নি। পরে ৮ আগস্ট তারা দেশে ফিরে যান।
আরও পড়ুন:
গুলশান হামলায় বেঁচে যাওয়া ভারতীয় নাগরিক সাত প্রকাশের জবানবন্দি
/বিটি/