তিনি জানান, যমুনার পানি বৃদ্ধি আগামী দুই-তিনদিন অব্যাহত থাকতে পারে। যমুনার সঙ্গে একই হারে ব্রহ্মপুত্র, ঝিনাইসহ শাখা নদীগুলোর পানিও বাড়ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
এদিকে বন্যায় জেলার ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, মেলান্দহ, সরিষাবাড়ি, মাদারগঞ্জ ও জামালপুর সদরের ২৫টি ইউনিয়নের শতাধিক গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অনেকেই বাড়ি-ঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন উচু বাঁধে। ডাইভারশনে পানি ওঠায় ব্যহত হচ্ছে মেলান্দহ-মাহমুদপুর সড়ক যোগাযোগ। বন্যার পানি ওঠায় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে জেলার ১৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বন্যা দুর্গত এলাকায় খাদ্য ও খাবার পানির অভাব তীব্র হয়ে উঠছে। মিলছে না গো-খাদ্যও।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ৬০ মেট্রিক টন চাল ও ৬০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাসেল সাবরিন জানিয়েছেন, অতিরিক্ত ত্রাণ চেয়ে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে বার্তা পাঠানো হয়েছে।
/এফএস/
আরও পড়ুন- সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি বিপদসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার ওপরে