পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, বুধবার (২২ নভেম্বর) সকালে ওই স্কুলছাত্রী বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশে বের হয়। এ সময় মেলান্দহ উপজেলার নয়ানগর এলাকা থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় মোজাম্মেল হক তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে নেশা জাতীয় দ্রব্য মেশানো রুমাল দিয়ে তাকে অজ্ঞান করে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে মোজাম্মেল। পরবর্তীতে ওই স্কুলছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে মোজাম্মেল গত শনিবার বিকালে দুরমুঠ রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ওই স্কুলছাত্রীকে সন্ধ্যায় মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ওই স্কুলছাত্রী মেলান্দহ উপজেলার নয়ানগর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা সিদ্দিক আলী ও মা কাজলী বেগম ঢাকায় কর্মরত থাকায় সে তার নানী বাসিরুন্নেছার বাড়িতে থেকে শ্যামপুর হাই স্কুলের ৯ম শ্রেণিতে পড়াশুনা করতো বলে জানা যায়।
মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.ফজলুল হক জানান, অচেতন অবস্থায় ছাত্রীকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তার জ্ঞান ফিরলেও সে খুবই দুর্বল।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল করিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। স্কুলছাত্রীর বাবা সিদ্দিক আলী অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ এনে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। আসামিকে ধরতে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে বলে তিনি জানান।