রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে রোজিনার মৃতদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। এক নজর রোজিনাকে দেখার জন্য দুপুরের পর থেকেই আশপাশের গ্রামের মানুষ ছুটে আসে। এসময় হৃদয় বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
সংসারে উপার্জনক্ষম একমাত্র সদস্যকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন রোজিনার দিনমজুর বাবা রসুল মিয়া ও মা রাশেদা বেগম। কীভাবে তাদের সংসার চলবে এ নিয়ে চিন্তিত তারা। রসুল মিয়া জানান, তার সংসারে ১০ জনের খাবার যোগাতে হয়। তিনি দিনমজুরি করে যে টাকা উপার্জন করতেন তা দিয়ে সংসার চলতো না। রোজিনার পাঠানো টাকা দিয়ে সংসারের বেশিরভাগ খরচ চলতো। এখন কীভাবে তার এত বড় সংসার চলবে তাই ভেবেই দিশেহারা তিনি। রোজিনার মৃত্যুর জন্য দায়ী বাস চালকের শাস্তি দাবি করেছেন তিনি।
গত ২০ এপ্রিল রাজধানীর বনানীতে রাস্তা পার হওয়ার সময় বিআরটিসি দ্বিতল বাসের চাপায় ডান পা হারান রোজিনা(১৮)। প্রথমে তাকে পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার সকালে রোজিনা মারা যান।