বিএনপির প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, ‘সোমবার (২৪ ডিসেম্বর ) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে সদর উপজেলার ঘুঘুরাকান্দি গ্রামে গণসংযোগে গেলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সমর্থকরা আমার গাড়ি বহরে হামলা চালায়। তারা ব্যাপক ভাঙচুর করে আমার খালা, ভাই ও অন্যান্য আত্মিয়স্বজনকে আহত করে। পরবর্তিতে এ বিষয়ে জেলা রিটানিং কর্মকর্তাকে সরাসরি এবং লিখিত অভিযোগ জানিয়েও কোনও সুরাহা পায়নি।’
সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা বলেন, ‘আমার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট ও বিএনপির সিনিয়র নেতা মো. হাতেম আলীসহ ১২ নেতাকর্মীকে মিথ্যে মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া গত কয়েক দিনে শতাধিক নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে আমাকে নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়ানোর পায়তারা করা হচ্ছে। কিন্তু আমার জীবন থাকা পর্যন্ত শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের মাঠে থাকবো।’
এদিকে, অপর এক সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতিউর রহমান আতিক অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচনি প্রচারের জন্য আমার দুই মেয়ে সোমবার (২৪ ডিসেম্বর ) বিকাল ৫টার দিকে সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের কুসুমহাটি বাজারে গেলে সেখানে বিএনপি প্রার্থী ডা. প্রিয়াংকার প্রত্যক্ষ নির্দেশে তাদের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। আমি এই হামলার বিচারসহ দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।’