নিহতের ফুফু ও শ্রীবরদী উপজেলা আনসার ভিডিপির সহকারী কর্মকর্তা রওশন আরা বেগম বলেন,‘আমার ভাতিজির সঙ্গে শুক্রবার (৫ জুলাই) তার বাবা দেখা করেছে। আমি মনে করি আমার ভাতিজিকে কেউ হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বন্ধন শেরপুর শহরের ফৌজিয়া মতিন পাবলিক স্কুলের ছাত্রীনিবাসে থেকে নবম শ্রেণিতে পড়ছিল। শনিবার সকালে বন্ধনকে তার কক্ষে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে থাকতে দেখে এক ছাত্রী। তার চিৎকারে স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে পাঠায়। পরে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মানতে নারাজ বন্ধনের পরিবারের লোকজন। তাদের দাবি কেউ হয়ত তাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে।