জামালপুর সদর উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের তারাকান্দি, গোবিন্দপুর, ফতেপুর গ্রামে ও তিতপল্যা ইউনিয়নের পক্ষিমারী, কৈডুলা-শাহবাজপুর গ্রামে সরেজমিনে দেখা গেছে, আক্রান্ত হয়েছে বোরো ধানের বীজতলা। হলুদ ও লালচে রঙ ধারণ করে নষ্ট হচ্ছে চারা।
গোবিন্দপুর গ্রামের ইউপি মেম্বার শহীদ মিয়া, একই গ্রামের কৃষক আব্দুল করিম, সুলতান মিয়া, শামছুল হক, তারাকান্দি গ্রামের কৃষক আকছেদ মিয়া, আবুল হোসেন ও মনোয়ার মন্ডলের সঙ্গে কথা হয়। তারা জানান, প্রচণ্ড ঠান্ডা আর ঘন কুয়াশার কারণে বীজতলায় চারাগুলোর পাতায় কুকড়া লেগে যাচ্ছে। প্রচণ্ড শীতে বীজের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থা থাকলে বোরো ধান রোপন নিয়ে আশঙ্কা থাকবে।
একই এলাকার কৈডুলা-শাহবাজপুর গ্রামের কৃষক বারেক মন্ডল ও কাদের মিয়া বলেন, ‘বোরো ধানের বীজতলা শুকিয়ে লালচে রঙ ধারণ করেছে। এখন ধানের বীজতলার খুবই নাজুক অবস্থা। সামনের আবহাওয়া আরও খারাপ হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রুপ ধারণ করবে।
জামালপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘কিছু কিছু জায়গায় বোরো ধানের বীজতলা নষ্ট হলেও বেশিরভাগ বীজতলা ভালো রয়েছে। তবে শৈত্যপ্রবাহ স্থায়ী হলে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
কৃষি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য এবার ৭ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হচ্ছে।