এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদ করিম উপজেলার দুই শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের প্রশ্নপত্র তৈরি করে শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রশ্নপত্র ও খাতা দেওয়ার নির্দেশ দেন। আগামী ১৫ জুনের মধ্যে নির্দেশ কার্যকর করার জন্য শিক্ষদের বলেন তিনি। পরে এ বিষয়ে শনিবার (৬ জুন) বাংলা ট্রিবিউনে 'প্রাথমিকের পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ শিক্ষা কর্মকর্তার' শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নজরে এলে তিনি পরীক্ষা স্থগিতের নির্দেশ দেন।
নেত্রকোনা জেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবু জাহিদ দুলদুল জানান, মহামারি করোনার কারণে সারা দেশে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সরকারি নির্দেশনা না থাকার পর পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত ঠিক হয়নি।
নেত্রকোনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ওবায়দুল্লাহ শাহীন জানান, পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশ স্থগিতের জন্য সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি কোনও নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য তাকে বলা হয়েছে।