জানা যায়, ছোট একটি বিষয় নিয়ে বাড়ির মালিক আকলিমা খাতুনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় মাহমুদা বেগমের। পরে একটি মিথ্যা অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করে মাহমুদাকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে ফেলে বাসা ছাড়তে বাধ্য করেন আকলিমা খাতুন।
সদর ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, জামালপুর সদর ভূমি অফিসে এসিল্যান্ড হিসেবে মাহমুদা বেগম যোগদান করেন এ বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি। যোগদানের কিছু দিন পরেই দেশে করোনার সংক্রমণ শুরু হয়। ৮ মাস বয়সী কন্যাশিশু মাহনুর মাশিয়াত ফালাক্ক, চার বছর বয়সী যমজ সন্তান তাহমিদ তাজওয়ার ও মুশাররাত ই উলফাতকে ঘরে রেখে করোনার সংক্রমণ থেকে মানুষকে বাঁচাতে কাজ করেছেন তিনি। এ জেলায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই সব সময় মাঠে থেকে অকুতোভয় যোদ্ধা হিসেবে লড়াই করে গেছেন তিনি।
মানুষের জন্য কাজ করতে গিয়ে ২ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন মাহমুদা বেগম। সেদিন থেকে ১৫ মে পর্যন্ত হোম আইসোলেশন এবং ১৫ থেকে ২৯ মে পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টিনে থেকে শহরের দেওয়ানপাড়ার ভাড়া বাসায় চিকিৎসা নেন তিনি। করোনা আক্রান্ত হয়ে ওই বাসায় হোম কোয়ারেন্টিনে থাকাটা ভালোভাবে নেননি বাড়ির মালিক আকলিমা খাতুনসহ ফ্ল্যাটের অন্য ভাড়াটিয়ারা।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা ভূমি অফিসের এসিল্যান্ড মাহমুদা বেগম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'ভাড়া বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টিনে থেকে চিকিৎসা নেওয়াই ছিল আমার অপরাধ। এখন আমি বাসা ছেড়ে দিয়েছি এবং বকুলতলা এলাকায় একটি প্রাইভেট বাসায় উঠেছি। এখন আপাতত বকুলতলাতেই থাকবো।’
এ বিষয়ে জানতে বাড়ির মালিক আকলিমা খাতুনকে ফোন করা হলে তিনি কল রিসিভ করেননি।